Header Ads

শীতকালে খুশকি থেকে বাঁচতে করণীয় | ডা আবিদা সুলতানা

 

শীতকালে খুশকি থেকে বাঁচতে করণীয়, আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক স্বাস্থ্য

শীতকাল এলেই অনেকের কাছে খুশকি একটি পরিচিত, কিন্তু অত্যন্ত বিরক্তিকর সমস্যায় পরিণত হয়। চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনি, জামাকাপড় কিংবা বালিশ- কোনোটিই খুশকির ঝরঝরে কণার হাত থেকে রেহাই পায় না। এতে যেমন বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়, তেমনি আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব পড়ে এবং ধীরে ধীরে চুলের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে। খুশকি আসলে মাথার ত্বকের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া; ত্বকের মৃত কোষ ঝরে পড়াকেই খুশকি বলা হয়। তবে শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং এ সময় পুরোনো ত্বক দ্রুত উঠে গিয়ে নতুন ত্বক তৈরি হতে থাকায় খুশকির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। শীতকালে অনেকেরই পানি পানের পরিমাণ কমে যায়, যা ত্বকের শুষ্কতা বাড়িয়ে খুশকির ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।

এ ছাড়া শীতের কারণে কয়েক দিন চুল না ধুলে মাথার ত্বকে তেল ও ময়লা জমে ফাঙ্গাল সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে সেবোরিক ডার্মাটাইটিস নামক দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগও খুশকির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে।

খুশকি চুলের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর; এর ফলে চুল পড়া বেড়ে যায়, মাথার ত্বকে তীব্র চুলকানি দেখা দেয় এবং অতিরিক্ত চুলকানোর কারণে নখের আঁচড়ে সংক্রমণসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। অনেক সময় খুশকির পাশাপাশি মাথার ত্বকে ছোট ছোট গোটার মতো দানা বা ফুসকুড়িও দেখা যায়, যা আরও অস্বস্তিকর। খুশকি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ভালো মানের অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেটি হতে হবে নিজের ত্বক ও চুলের ধরন অনুযায়ী। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি; প্রয়োজনে প্রতিদিন শ্যাম্পু করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা, তবে শ্যাম্পুর পর চুলের শুষ্কতা কমাতে অবশ্যই কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করা উচিত। পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা এবং শীতকালীন ফল ও ফলের রস বেশি করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যা ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। মনে রাখতে হবে, খুশকির ক্ষেত্রে অনেক সময় বাজারজাত প্রসাধনীর চেয়ে ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায় বেশি কার্যকর হতে পারে।

কয়েকটি নিমপাতা গুঁড়া করে অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করা যেতে পারে। একইভাবে পেঁয়াজের রস ভালোভাবে মাথার ত্বকে মেখে কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যায়। আবার পাঁচ চামচ পাতি লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য অরেঞ্জ পিল পাউডার মিশিয়ে আধা ঘণ্টা মাথায় রেখে শ্যাম্পু করলেও খুশকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে খুশকি যদি অতিরিক্ত হয়, দীর্ঘদিন স্থায়ী থাকে বা এসব পদ্ধতিতে কাজ না করে, সে ক্ষেত্রে দেরি না করে অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

ডা আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক স্বাস্থ্য, asun sustho thaki, mental health

ডা. আবিদা সুলতানা, (এমবিবিএস)
জেনারেল প্রাকটিসার, সিটি হেলথ সার্ভিসেস লিঃ এন্ড সিটি হাসপাতাল লিঃ
মেডিসিন, চর্মরোগ, বাত-ব্যাথা, শিশু ও গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ।
লেকচারার, জেড এইচ সিকদার মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, ঢাকা।


Follow Me -

Facebook : Dr. Abida Sultana 

Youtube : Dr. Abida Sultana 

X : Dr. Abida Sultana 

tiktik : Dr. Abida Sultana 

No comments

Powered by Blogger.