Header Ads

নিত্যদিন ব্যবহারের তোয়ালে কত দিন পর ধুতে দেবেন | ডা আবিদা সুলতানা

নিত্যদিন ব্যবহারের তোয়ালে কত দিন পর ধুতে দেবেন, আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক

গামছা বা তোয়ালে সব সময়ই ব্যবহার হয়। তারপর অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় সঠিকভাবে শুকায়নি। ফলে অপরিষ্কার হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। সুস্থতার কথা মাথায় রেখে সপ্তাহে কমপক্ষে একবার তোয়ালে কাচার অভ্যাস রয়েছে অনেকের।

তবে জানেন কি, সপ্তাহে একবার তোয়ালে কাচাও যথেষ্ট নয়। তার পরেও হতে পারে নানা রোগ। বরং জেনে নিন ঠিক কিভাবে তোয়ালে কাচলে জীবাণু সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে পারেন।

হিসাব অনুযায়ী, গোসল করার পর যে তোয়ালে ব্যবহার করা হয়, সেটি ৩-৪ বার ব্যবহারের পরই কাচা প্রয়োজন।

হাত মোছার তোয়ালে অবশ্য ১-২ দিন অন্তর কাচা উচিত। প্রতিবার ব্যবহারের পরই জিমের তোয়ালে ধোয়া প্রয়োজন। মুখ মোছার তোয়ালে প্রতিদিনই ধোয়া উচিত। নয়তো শারীরিক নানা সমস্যা বাড়তে পারে।


কিছু নিয়মাবলি—

অন্য কাউকে নিজের তোয়ালে ব্যবহার করতে না দেওয়াই উত্তম।

কোনোভাবেই ভেজা তোয়ালে ব্যবহার করবেন না।

প্রতিবার ব্যবহারের পর তোয়ালে টান টান করে শুকাতে দিন।

গরম পানিতে তোয়ালে কাচার চেষ্টা করেন। নয়তো জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকেই যায়।

তোয়ালে আদৌ নরম রয়েছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। নরম ভাব চলে যাওয়ার পর আর ওই তোয়ালে ব্যবহার করবেন না।

নির্দিষ্ট সময় পর পর তোয়ালে পরিবর্তন করুন। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর অন্তত একবার তোয়ালে পরিবর্তন করুন।

আরো পড়ুন

শীতে পর্যাপ্ত পানির অভাবে বলিরেখা, দিনে কতটা খাবেন?

শীতে পর্যাপ্ত পানির অভাবে বলিরেখা, দিনে কতটা খাবেন?

 

এই নিয়মগুলো মানলে রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। বিশেষত, মৌসুম পরিবর্তনের সময় এই নিয়মগুলো মানতে ভুলবেন না।

ডা আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক স্বাস্থ্য, asun sustho thaki, mental health

ডা. আবিদা সুলতানা, (এমবিবিএস)
জেনারেল প্রাকটিসার, সিটি হেলথ সার্ভিসেস লিঃ এন্ড সিটি হাসপাতাল লিঃ
মেডিসিন, চর্মরোগ, বাত-ব্যাথা, শিশু ও গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ।
লেকচারার, জেড এইচ সিকদার মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, ঢাকা।


Follow Me -

Facebook : Dr. Abida Sultana 

Youtube : Dr. Abida Sultana 

X : Dr. Abida Sultana 

tiktik : Dr. Abida Sultana 

No comments

Powered by Blogger.