Header Ads

শিশুর টাইফয়েড হলে করণীয় | ডা আবিদা সুলতানা

 

শিশুর টাইফয়েড হলে করণীয়, আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক স্বাস

টাইফয়েড যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

টাইফয়েড যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। জ্বরের পাশাপাশি বমি, পাতলা পায়খানাসহ মাথাব্যথা হয়। এছাড়া পেটে ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়াসহ জিবের ওপর সাদা প্রলেপ পড়তে দেখা যায়।

টাইফয়েড পানিবাহিত রোগ সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হয়। সংক্রমিত হওয়ার ১০ থেকে ১৪ দিন পর জ্বরসহ এ রোগের অন্যান্য লক্ষণ দেখা দেয়। পানিবাহিত সালমোনেলা জীবাণু দূষিত পানি ছাড়াও দুধ অথবা দুগ্ধজাত সামগ্রী থেকে মানবদেহে সংক্রমিত হতে পারে।


লক্ষণ : সাতদিন জ্বর থাকার পর বুক, পেট ও পিঠে লালচে দানার মতো র‌্যাশ দেখা যায়। এসব দানা হাতের আঙুলের চাপে অদৃশ্য হয়ে যায়। জ্বরের প্রথম সাতদিন পরও যথাযথ চিকিৎসা শুরু না করলে শিশুদের নানা মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়। যেমন:

খিঁচুনি

অসাড় বোধ

পেট ফোলা

রক্ত পায়খানা

জন্ডিস এমনকি মৃত্যুও হতে পারে


পরীক্ষা-নিরীক্ষা : জ্বরের প্রথম সপ্তাহে টাইফয়েড নির্ণয় করা বেশ কঠিন। পরে রক্ত ও প্রস্রাব-পায়খানার কালচার পরীক্ষা এবং ভিডাল টেস্ট করে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব।

হাসপাতালে ভর্তি করাবেন কখন: মাত্রাতিরিক্ত জ্বর, বারবার বমি, পেট ফোলা, পায়খানায় রক্ত, খিঁচুনি এবং অজ্ঞান হওয়ার মতো পরিস্থিতি হলে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

চিকিৎসা

পুষ্টিকর খাওয়াদাওয়া

পর্যাপ্ত বিশ্রাম

জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল সিরাপ বা ট্যাবলেট, যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে

জ্বর কমার পরও তিন থেকে পাঁচদিন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হবে। ভালো অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা করলেও জ্বর পাঁচ-সাতদিন থাকতে পারে। এ সময় অধৈর্য হওয়া যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই সর্বোত্তম।


প্রতিরোধ কৌশল : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা, নিরাপদ পানি ও খাবার গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার, টিকা নেয়ার মাধ্যমে টাইফয়েড প্রতিরোধ করা যায়। তবে টাইফয়েড কোনো ছোঁয়াচে জ্বর নয়। সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা নিলে শতভাগ ক্ষেত্রে এ রোগ ভালো হয়ে যায়।

No comments

Powered by Blogger.