সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে যে উপকার হয় | ডা আবিদা সুলতানা
স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য দৈনিক হাটাহাটি করা প্রয়োজন। এতে শরীরে অনেক রোগই দূরে থাকে। এমনকি হৃদযন্ত্রকেও ভালো রাখে এই অভ্যাস। তবে হাটার চেয়েও আরও কার্যকরী হচ্ছে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে হাঁটার চেয়েও বেশি উপকার পাওয়া যায়। সম্প্রতি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। তবে এটি অবশ্যই নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে।
স্বাস্থ্য নিয়ে এখন অনেকেই বেশ সচেতন। স্বাস্থ্যকর খাওয়া দাওয়া, ক্যালোরি ঝরানোসহ নানা অভ্যাস আয়ত্ত করে সুরক্ষিত থাকতে। স্মার্ট ওয়াচ পরে কত স্টিপ হাটলেন তাও পরিমাপ করেন। তবে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানাম যে আরও উপকারী অভ্যাস তা অনেকেরই অজানা।
সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। তবে হাঁটার সময় ঘাম ঝরাতে হবে। তাই হাঁটার থেকে বেশি উপকারী হচ্ছে সিঁড়ি ভাঙা। যা সহজেই শরীরে ঘাম ঝরাতে সক্ষম হয়। এই অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
প্রতিদিন ১৫ স্টেপ হাঁটার সমান ৫ বার সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা। এই অভ্যাস থাকলে হার্টের সমস্যা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এছাড়াও এই অভ্যাস করোনারি আর্টারি ডিজিজ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যা কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ওবেসিটি, কোলেস্টেরলের মতো ক্রনিক অসুখের ঝুঁকিও কমে যায়।
তবে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলেই হবে না। কতবার ওঠানামা করতে হবে, তাও জানা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-১৫ বার একতলা সিঁড়ি ওঠানামা করা উচিত। এতেই ভালো থাকবে হৃদযন্ত্র। এছাড়াও পায়ের পেশির জোর বাড়বে। শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমবে এবং ওজন কমে যাবে।
ওজন কমানোর জন্য শরীরের ঘাম হওয়া জরুরি। প্রতিদিন এমন এক্সারসাইজ করতে হবে, যা ঘাম ঝরায়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে হার্ট বিট বেড়ে যাবে। ঘাম ঝরবে। তাই ওজন কমবে। শরীরের অনেক রোগই দূরে থাকবে।
ডা আবিদা সুলতানা, Dr Abida Sultana, health, fitness, healthy life, সফলতার সূত্র, আসুন সুস্থ থাকি, মানসিক স্বাস্থ্য, asun sustho thaki, mental health
- ডা. আবিদা সুলতানা, (এমবিবিএস)
জেনারেল প্রাকটিসার, সিটি হেলথ সার্ভিসেস লিঃ এন্ড সিটি হাসপাতাল লিঃ
মেডিসিন, চর্মরোগ, বাত-ব্যাথা, শিশু ও গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ।
লেকচারার, জেড এইচ সিকদার মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, ঢাকা।
Follow Me -
Facebook : Dr. Abida Sultana
Youtube : Dr. Abida Sultana
tiktik : Dr. Abida Sultana
No comments